Category Archives: Charity

Call for action – Surpassing Boundaries

“Surpassing Boundaries” is a year-long undertaking of SHEPRO. The campaign is primarily meant to inspire compassion for cancer victims. The campaign agenda involves organizing community events for cancer victims, and raising funds for cancer research and treatment.

If you are aware of any cancer victim who needs our support, feel free to send us details of him/her and how we could help.

For more insight about this initiative, visit our campaign page and our facebook page.

Advertisements

Acknowledging our heartfelt gratitude to a generous benefactor

Saiful Latif Sultan is one of the most authoritative names as a Physics teacher in English Medium circles. What people don’t also know is that he is a generous and publicity-shy philanthropist. He has been one of our most prolific patrons, and besides his charitable contributions as a donor he also offers counsel as an Honorary Member to our organization.

SHEPRO would like to acknowledge its debt to Mr. Saiful Latif Sultan for his love, support and guidance to our endeavors. We extend our most heartfelt gratitude and thank him.

Tanzim Taher
SHEPRO

New Bitmap Image-horz
Mr. Saiful Latif Sultan has been a generous patron to numerous projects of ours.

 

“Can’t buy you medicine anymore….”

Written by and posted on behalf of Abu Sufian Raihan

সকাল ৬:৩০ স্থানঃ সাভারের এক বস্তি

“মা শারমিন ওড, গার্মেন্টসে যাবি না?” বলল শারমিনের মা। মার ডাক শুনে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে বসল শারমিন। “হুম যামু মা। কয়ডা বাজে?” “সাড়ে ছয়ডার মত। যা তাড়াতাড়ি গোসল কইরা ল। পরে আবার সিরিয়াল পইরা যাইব” “শাওন কই?” “এহনও বাড়িত আহে নাই”শুনে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে শারমিন। ভাইটাকে টাকার অভাবে পড়াতে পারল না শারমিন।নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তার ছোট ভাইটা। “বাবা আর তোমার ওষুধ আছে?” “আজকে দুপুর পর্যন্ত হইব” “আচ্ছা আজকে আসার সময় নিয়া আসুম” বলল শারমিন। এদিকে আবার কালকে গার্মেন্টসে ফাটল দেখা দিসে।তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে আজকে সকালে যেতে বলছে।বলে দিছে আজকে না গেলে বেতন দিব না। সবাই গরীবের পেটে লাথি মারতে চায়।এসব ভাবতে ভাবতে গোসল করতে গেল শারমিন।

সকাল ৯:০০ স্থানঃ রানা প্লাজা

শারমিন কাজ করছে সাত তলায়। পাশে মৌসুমী বক বক করে যাচ্ছে। আর তা শুনে হাসছে শারমিন। হঠাত মনে হল ভূমিক্মপ হচ্ছে।পায়ের নিচের ফ্লোর কেপে উঠছে। মাথার উপর ছাদ ভেঙ্গে পড়ল শারমিন সহ সাততলায় কাজ করা আর সবার উপর।

সকাল ১১ টা স্থানঃ রানা প্লাজার ধ্বংসস্তুপ

চারপাশ অন্ধকার। নিশ্চুপ। এক ভূতুরে পরিবেশ। শারমিন চোখ খুলল। তার মাথায় তীব্র ব্যাথা। একবার মা বলে চিৎকার করে উঠল শারমিন। কোন সাড়াশব্দ নেই । সে তার বাম হাত নাড়াতে পারছিলনা। পায়ের উপর একটা বীম পড়ে গেছে। সারা শরীর অসার হয়ে যাচ্ছে। তার বাম পাশে পড়ে আছে তাদের সুপার ভাইজারের লাশ। তার হাতে একটা কাগজ আর কলম ছিল সে অনেক কষ্ট করে সুপার ভাইজারের হাত থেকে ছুটিয়ে নিল। তারপর কিছু লিখল কাগজটাতে। আর শক্ত করে ডান হাতে কাগজটা ধরে রাখল এবং চিরদিনের জন্য হুমিয়ে গেল|

দুপুর ৩টা স্থানঃ রানা প্লাজার ধ্বংসস্তুপ

উদ্ধার কাজ চলছে। ধ্বংস স্তূপের বাহিরে অনেক মানুষ। হঠাত বের  হয়ে আসল একটা লাশ। একজন মেয়ের লাশ। হাতের মধ্যে সাদা কাগজে ২ লাইন লেখা। “আম্মা-আব্বা আমারে মাফ কইরা দিউ তোমাগোরে আর ঔষুধ কিনে দিতে পারবনা। ভাই তুই আম্মা আব্বার দিকে খেয়াল রাখিছ” হতভাগা মা চিঠি আর মেয়ের ছবি নিয়ে একটু কাঁদছে আর বেহুঁশ পড়ছে।এরকম দৃশ্য দেখার পরে আর কোন মানুষ হয়ত চোখের পানি টুকু আটকিয়ে রাখতে পারবেনা।

Image borrowed for effect (Source: UNBconnect. Reported on: December 31st, 2013 08:54:18 pm)

Note: The story above has been based on true events. A nine story building did collapse on 24th April 2014 claiming thousands of lives. A corpse was found in the rubble clutching a 2-line note saying, “Amma and Abba (Dear Mom and Dad), please forgive me because I won’t be able to buy your medicine anymore. Dear brother, please look after Amma-Abba.”

The identities of the corpse and her family remain unknown. The writer has taken some liberty in writing around the facts in an attempt to empathize with the victim during the last hours of her life.

Collected from: Help the people of Savar Tragedy

 

 

 

SHEPRO donates to children with cancer

Members of SHEPRO made an impromptu visit to the Pediatric Hematology and Oncology ward of Bangabandhu Sheikh Mujib Medical (PG Hospital) on the 18th of March, 2014. The ward mostly houses children with blood cancer. The visit was made as an attempt to socialize with the patients and their families, and empathize with them. Dr. Farida, one of the doctors who are familiar with the patients of that ward briefed the volunteers about the struggles of the doctors and patients against cancer. The event ended successfully with a donation of Taka 21000 to struggling families for medicine costs by one of our donors, Md. Saiful Latif Sultan. The volunteers commented after the event that their efforts were warmly appreciated by the doctors and the children’s families and the experience was truly humbling.